মহান বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা। আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত বাংলায় পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন সংগঠনটির সদস্যরা।
শ্রদ্ধাঞ্জলিতে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামানের নেতৃত্বে সিনিয়র অধ্যাপক ড. নজিবুল হক, অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, অধ্যাপক ড. নুরুন নাহার, অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজি, অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম, অধ্যাপক ড. রাশেদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. এ কে এম নূরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. খোদেজা খাতুন ও অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর পূর্বে প্রশাসনিক ভবনের সামনের চত্বরে আনন্দের প্রতীক বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনের পর আনন্দ শোভাযাত্রা, শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রার, ডিনসহ সকল অনুষদ, আবাসিক হল, ছাত্র সংগঠন, সাংবাদিক সংগঠন, বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আমরা এবার অত্যন্ত বেশি আনন্দিত এবং খুশি যে দীর্ঘদিনের বাংলাদেশের যে ফ্যাসিবাদ চেপে বসেছিল আজকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত বিজয় দিবস পালন করছি। তবে আজকে একটু দুঃখ রয়েছে যে চব্বিশের যে জুলাই বিপ্লবের একজন নেতা সে আজ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করি যেন সে দ্রুততার সাথে সুস্থ হয়ে উঠে এবং পাশাপাশি মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তার সহধর্মিনী বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মাটি মানুষের নেত্রী এবং যিনি বর্তমানে সকল রাজনৈতিক দল মতের সকলের ঐক্যের প্রতীক তিনিও অনেকটা অসুস্থ তারও সুস্থতা কামনা করছি।
তিনি আরও বলেন, তিনি যেন আবারো দেশের হাল ধরতে পারেন এবং দীর্ঘ ফ্যাসিস্টের আমলে বাংলাদেশের যে ক্ষতি সাধিত করেছে সেখান থেকে যেন বাংলাদেশ জাতিকে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব সবকিছুকে আবারো সুদৃঢ় একটি ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে পারেন এবং সততার সাথে দেশ পরিচালনা করে তলাবিহীন ঝুড়ির দেশকে বিশ্বে একটি সম্মানজনক আসনে আসীন করেছিলেন এই পতাকা তিনি এগিয়ে নিয়ে যাবেন এবং তার বাপের যে অসম্পূর্ণ কাজসমূহ এগুলোকে তিনি সম্পূর্ণ করবেন এবং চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের যে চেতনা এই চেতনাটাকে তিনি বাস্তবায়ন করবেন।
শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে শহিদ জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তরে শ্রদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং তাদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
আ. দৈ./কাশেম