সাঘাটা উপজেলা জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কাউন্সিল ৪ নং মুক্তিনগর ইউনিয়ন সাঘাটা,গাইবান্ধার প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট শাহারুল আলম ও নির্বাচন কমিশনের সাথে জড়িত সকলের পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের চিহ্নিত অপরাধীদের বৈধতা প্রদানের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ এবং আপত্তি জানানো হয়েছে।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের চিহ্নিতদের বৈধতা প্রদানের বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সাঘাটা উপজেলা বোনারপাড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তীব্র প্রতিবাদ এবং আপত্তি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য এবং ৪ নং মুক্তিনগর ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি প্রার্থী মোঃ উমর ফারুক মন্ডল লিখিত বক্তব্যে তীব্র প্রতিবাদসহ এই অভিযোগ উপস্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মোঃ উমর ফারুক মন্ডল লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন, জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) গাইবান্ধার জেলার পক্ষ থেকে গত ২০ জানুয়ারি সাঘাটা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করা হয়। সেই মোতাবেক মনোনয়নপত্র গ্রহণ, পূরণ ও জমা দানের কথা বলা হয়। তারপর অদৃশ্য কারণে কাউন্সিল ও কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচন স্থগিত করা হয়। কিছু দিন যাওয়ার পর আবার গত ২৩ আগস্ট পূনরায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। একই সাথে মনোনয়ন যাচাই বাচাই ও জমাদানের দিন ধার্য করা হয়।
উক্ত নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রার্থীর অযোগ্যতা এবং নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আমার (মোঃ উমর ফারুক মন্ডল) মনোনয়ন পত্রটি বৈধ এবং যিনি আমার প্রতিপক্ষ, তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কথা। এই বিষয়ে যথেষ্ট/ সকল প্রমাণাদি উক্ত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান অর্থাৎ প্রধান নির্বাচন কমিশনার, উপজেলা আহবায়ক, সদস্য সচিব, জেলা সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও জেলা নির্বাচন মনিটরিং কমিটির প্রধানসহ বিভাগীয় নেতাদের নিকট সামাজিক যোগাযোগের সাধ্যম ও লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
ছবিতে- ত্রাণ বিতরণকারীদের মাঝে কালো মাস্ক পড়া এবং নৌকার প্রার্থীর প্রচার পত্র হাতে লুঙ্গি পড়া ব্যক্তিসহ ৪ জনই ফ্যাসিবাদের দোসর,,,,
মোঃ উমর ফারুক মন্ডল লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করেন, অতীব দুঃখের সহিত আপনাদের মাধ্যমে আমার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারকদের নিকট সবিনয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি (উমর ফারুক মন্ডল) ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রদল, যুবদল ও মূলদল বিএনপির সাথে সরাসরি সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছি’।ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজপথে সক্রিয় থাকায় বিভিন্ন মামলা হামলার স্বীকার হয়েছেন।’
কিন্তু বিএনপির দলীয় ক্ষেত্রে ফ্যাসিট সরকার ও তাদের দোসদের সাথে কোন আপোষ করেন নাই। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত কারো সাথে আপোষ করবেন না। প্রিয় ফ্যাসিস্টদের সমর্থকারী বিএনপির কোন নেতার সাথে আপোষ করবেন না।
উমর ফারুক মন্ডল বলেন, জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনে দলের সদস্যদের সাথে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। তবে এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট শাহারুল আলম কেন জানি, অদৃশ্য কারণে সাবেক অ্যাভোকেট ডেপুটি স্পীকারের আত্বীয় ও তার পরিবারের মানুষ ফ্যাসিট সরকারের মনোগ্রাম দেওয়া ত্রাণের প্রমাণসহ দেওয়ার পরও নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা শহিদুল ইসলাম চুন্নুর প্রার্থীতার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছে না।
ফলে এই বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন রেখেছেন তিনি। এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিএনপির নীতি নির্ধারণী ব্যক্তিদের অবগত করা হয়েছে। যদি যথা সময়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে দলীয় স্বার্থে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন উমর ফারুক মন্ডল।
আ. দৈ./কাশেম