আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের নেই কোনো স্বর্ণ, গহনা, গাড়ি বা আসবাবপত্র। হাতে আছে মাত্র ২২ হাজার টাকা। তবে সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডে তার ১ লাখ ৫ হাজার ৮৭ টাকা ঋণ আছে। মডেল হিসেবে পরিচিত মেঘনা আলম পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক কিন্তু তিনি আয় করেন ব্যবসা থেকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে এমনই তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি। মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচন করবেন মেঘনা আলম। গণঅধিকার পরিষদ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তিনি।
হলফনামার তথ্য অনুসারে, সিটি ব্যাংকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার এফডিআর থাকলেও একই ব্যাংকে ক্রেডিট কার্ডে তার ১ লাখ ৫ হাজার ৮৭ টাকা ঋণ আছে।
মেঘনা আলম পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হলেও আয় করেন ব্যবসা থেকে, বছরে ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। যা মাসে গড়ে ৪৪ হাজার টাকা। আর হাতে নগদ টাকা আছে ২২ হাজার ৪৬৮ টাকা।
হলফনামায় মেঘনা আলম আরও উল্লেখ করেন, তিনি মায়ের কাছ থেকে শূন্য দশমিক ৬৫২৫ শতাংশ অকৃষি জমি পেয়েছেন। তবে তিনি সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে তিনি ২৯ লাখ ৬৮ হাজার ৩৮১ টাকার সম্পদের বিবরণ দিয়েছেন। আয়কর দিয়েছেন ৮ হাজার টাকা। শিক্ষাগত যোগ্যতায় মেঘনা আলম উল্লেখ করেছেন রাজনৈতিক শিক্ষা বিষয়ে বিশেষায়িত পেশাগত প্রশিক্ষণ সনদপ্রাপ্ত।