স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার প্রলোভনে সাবেক এক সমন্বয়ককে ২০০ কোটি টাকার চেক দিয়েছেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আজ (১৮ আগস্ট) বৃহস্পতিবার অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিমের সদস্যরা।
অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা বিরুদ্ধে প্রাপ্ত দুর্নীতির অভিযোগটি বিশেষ গুরুতর হিসেবে আমলে নিয়ে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এই অভিযানে নেমেছে দুদক কর্মকর্তারা।
দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান। তিনি আরো জানান যে, অভিযুক্ত ডা. শেখ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার জন্য ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়,শেখ গোলাম মোস্তফা স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদ পাওয়ার প্রলোভনে একজন সমন্বয়ককে ১০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক প্রদান করেছেন।এই ঘটনা চলতি বছরের জানুয়ারিতে সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগে আরো উল্লেখ রয়েছে,ডা. মোস্তফা ১০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক প্রদান করেছেন। এই লেনদেনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি জড়িত, যিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। আরিফুল ইসলাম সরাসরি ডা. মোস্তফার চেম্বার থেকে চেকগুলো সংগ্রহ করেন।
যদিও আরেফিন সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না, তিনি ফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে এই লেনদেনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানা গেছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ডা. শেখ গোলাম মোস্তফার ব্যাংক হিসাব,আর্থিক লেনদেন এবং সমন্বয়ক গ্রুপের সঙ্গে তার যোগাযোগের রেকর্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারী দল চেকগুলোর সত্যতা এবং লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য যাচাই করছে। অভিযান সংগৃহিত রেকর্ডপত্র যাচাই বাছাই শেষে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদন আকারে কমিশনকে অবহিত করা হবে বলে জানানো হবে।
আ. দৈ./কাশেম