ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা(ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির নির্দেশে শহিদ শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা শেষে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল, ফয়সালের বোন জেসমিন, আলমগীর ও ফিলিপসহ পাঁচজন এখনো পলাতক রয়েছে। অধিকতর তদন্তে আরও যদি কারো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাহলে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেন হাদি। বিভিন্ন সময়ে তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বিগত দিনের কার্যকলাপ সম্পর্কে সমালোচনামূলক জোরালো বক্তব্য প্রদান করেন। তার এই বক্তব্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়। ঘটনার দিন তাকে গুলি করা পলাতক আসামি ফয়সাল করিম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।’
হাদি হত্যার পরিকল্পনা ও নির্দেশদাতার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাইজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে হত্যা করা হয় ওসমান হাদিকে।’
সম্প্রতি মূল অভিযুক্ত ফয়সালের ভিডিও ও সর্বশেষ অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে ুতুন আরও বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ফয়সালের ভিডিওর ফরেনসিক করা হয়েছে। ভিডিওটি সঠিক, কিন্তু তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’