সমঝোতার ভিত্তিতে বিএনপির পক্ষ থেকে গণঅধিকার পরিষদের দুই শীর্ষ নেতা নুরুল হক নুর ও রাশেদ খানকে আসন ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বে। সবমিলিয়ে শরিকদের জন্য আটটি আসন ছাড় দিচ্ছে বিএনপি।
আজ বুধবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছিলেন তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে আমরা যে সিদ্ধান্তগুলোতে একমত হতে পেরেছি সেই আসনগুলোতে আমরা সমঝোতা করেছি তা আমি আপনাদের জানিয়ে দিচ্ছি। এই তালিকার পরও আলোচনা চলবে, তারপর সিদ্ধান্ত হলে আমরা জানাব।
বিএনপি মহাসচিব জানান, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, নড়াইল-২ আসনে এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, যশোর-৫ ইসলামী ঐক্যে জোটের মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাস, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর, ঝিনাইদহ-৪ গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বিএনপির জোটসঙ্গী হয়ে প্রার্থী হবেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, কুমিল্লা-৭ আসনে রেদোয়ান আহমেদ এবং ঢাকা- ১৩ আসনে এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজকে দেওয়া হয়েছে। রেদোয়ান সাহেব আজকে যোগ দিয়েছেন এবং ববি হাজ্জাজ শিগগিরই বিএনপিতে যোগ দেবেন।
তিনি বলেন, যাদের সাথে নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছে তারা নিজ নিজ প্রতীকে অংশ নেবেন এবং যারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন তারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।