দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারের অফিসে আক্রমণ ও অগ্নিসংযোগের নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এই নিন্দা জানান। তিনি বলেন, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন; গণমাধ্যমের অফিসে অগ্নিসংযোগ করা প্রতিবাদের গ্রহণযোগ্য ভাষা হতে পারে না।
তিনি বলেন, যে দুইটি পত্রিকার অফিসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে তাদের সম্পাদকীয় নীতি নিয়ে দেশের সিংহভাগ মানুষের আপত্তি আছে, বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পক্ষে বয়ান ও সম্মতি উৎপাদনে এই পত্রিকা ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হয়। নানাভাবে অপতথ্য তৈরিতেও এই পত্রিকা দুইটির দায় আছে। সবকিছু সত্ত্বেও আধুনিক জাতি রাষ্ট্রে কোনো পত্রিকা অফিস জ্বালিয়ে দেওয়া যায় না।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব বলেন, গতকাল যারা অগ্নিসংযোগ করেছে তাদের দেশের কোনো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় শক্তি ধারণ করে নাই। এমনকি বিপ্লবী শহীদ ওসমান হাদির সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো প্রতিষ্ঠানও এই অগ্নিসংযোগকে সমর্থন করে না। ফলে এই ঘটনা গুরুতর হলেও বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য এবং দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে দেখানোর অপচেষ্টা চলমান। ওসমান হাদির শাহাদাতের বেদনাকে কেন্দ্র করে তেমন কোনো অপচেষ্টাকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।’
বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সবাইকে ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানায়। একইসাথে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে আহ্বান জানায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে প্রথম আলোর কার্যালয়ে ও পরে ডেইলি স্টার অফিসে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় অফিসের ভেতর ও ছাদে আটকা পড়েন কয়েকজন সাংবাদিক। সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের সহযোগিতায় তারা বের হন।
আ. দৈ./কাশেম