ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রেখেই জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বৃহস্পতিবার খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র বড়দিন এবং ইংরেজি বর্ষ বিদায় ও নববর্ষ উপলক্ষে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তার ঘেরাটোপে যেন সর্বসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পবিত্র বড়দিন যেন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসব মুখর পরিবেশে পালিত হয় সে লক্ষ্যে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
ঢাকা মহানগরীতে ৭৩ টি চার্চে বড়দিন উপলক্ষে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করবেন খ্রিষ্টান ধর্মানুসারীরা। এ উপলক্ষে যেকোনো গুজব, অপপ্রচার রোধে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, সামনে আমাদের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে যেন কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া মোটরকার রেসিং থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি নগরবাসীকে অনুরোধ জানান। থার্টি ফার্স্ট নাইটে কেউ মোটর রেসিং করলে তাদের গাড়ি জব্দ করা হবে।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মোঃ সরওয়ার বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে যে কোন অনুষ্ঠানের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করতে হবে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটে নিরাপত্তা নিয়ে কোন রকম শৈথিল্য প্রদর্শন করা যাবে না। পটকা ও বিষ্ফোরক ক্রয় বিক্রয় যেন বন্ধ থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কোন রকম আতশবাজি ও ফানুস উড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। সভায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দসহ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোঃ মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ আনিছুর রহমান, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিসহ ডিএমপির যুগ্ম কমিশনারবৃন্দ, উপ-পুলিশ কমিশনারবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।