আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ-এর প্রধান শাহীনুল ইসলামের ভিডিও কেলেঙ্কারির তদন্তে সত্যতা মিলেছে। এতে বহিস্কারের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন কমিটির সদস্যরা।
গত আগস্টে যোগাযোগমাধ্যমে শাহীনুল ইসলামের কয়েকটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সমালোচনার পরপরই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দেন। এতে শাহীনুল রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন বলে দাবি করা হয়।
এসব ভিডিওর সত্যতা যাচাইয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ কুতুবকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের আইসিটি বিভাগের পরিচালক মতিউর রহমান এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।
এ ঘটনার পরও তিনি অফিসে যান। পরে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তদন্তের স্বার্থে সরকারের নির্দেশে উনাকে অফিসে না আসার জন্য, ছুটিতে থাকতে বলা হয়েছে বলে জানায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী। এরপর থেকে তাঁকে আর কর্মস্থলে দেখা যায়নি।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের আন্দোলনের মুখে গত বছরের আগস্টে পদত্যাগে বাধ্য হন বিএফআইইউর তৎকালীন প্রধান মাসুদ বিশ্বাস। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিয়োগ পান শাহীনুল ইসলাম। গভর্নরের নেতৃত্বে গঠিত সার্চ কমিটি যে তিনজনের নাম সুপারিশ করেছিল, সেই তালিকায় শাহীনুলের নাম ছিল না। তারপরও এই পদে নিয়োগ পান তিনি।