সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণা ও মানবপাচার
দ্বিতীয় দফায় ৬ দিনের রিমান্ডে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী
নিজেস্ব প্রতিবেদক

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর,বহুল আলোচিত ওয়ান ইলেভেনের কৌশলী এবং সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ‘আফিয়া ওভারসিজের মালিকের’ করা এক মামলায় দ্বিতীয় দফায় ৬দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে মানব পাচারের মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের গুরুতর অপরাধে জড়িত।
আজ রোববার (২৯ মার্চ) ডিএমপির পলটন থানার ওই মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান আসামির ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অপরদিকে আসামি পক্ষে রিমান্ডের বাতিলের জন্য আবেদন জানান। পরে উভয় পক্ষের আবেদন শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম আবেদন আংশিক মঞ্জুর করে ৬ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
পল্টন থানা আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা ও পুলিশের উপ-পরিদর্শক রোকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে, গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৪ মার্চ একই মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় মামলাটি দায়ের করেন আফিয়া ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী আলতাব খান।
এক-এগারোর সময়ের আলোচিত ব্যক্তি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গত সোমবার রাতে রাজধানীর বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরদিন পল্টন থানার মানব পাচার সংক্রান্ত মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাকে প্রথমে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
প্রথম দফার রিমান্ড শেষে আজ তাকে আবার আদালতে হাজির করা হলে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের আবেদন করা হয়। আবেদনে বলা হয়, আগের রিমান্ডে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও সময়স্বল্পতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুনরায় রিমান্ড প্রয়োজন।
আ. দৈ./কাশেম/ আরএস




















