ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন
ঢাকা উত্তরে ৫৩৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান শুরু
আবুল কাশেম:

ঈদের দীর্ঘ ছুটি এবং থেমে থেমে কারণেই স্বাভাবিকভাবে নগরীতে এডিস মশার প্রজনন ও বংশবিস্তারের ঝুঁকি বেড়েছে। দীর্ঘ ছুটির সময় রাজধানীতে অফিস-আদালত, স্কুল/কলেজসহ বিভিন্ন ভবন ও আঙিনায় এডিস মশার প্রজনন ও বংশবিস্তারের ঝুঁকি বেড়েছে।
যারফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন ৫৩৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে “Clean School, No Mosquito” শিরোনামে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করেছে।
ডিএনসিসি জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান “Clean School, No Mosquito” শিরোনামে এই বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান গণমাধ্যমকে বলেন,“সামনে বর্ষা মৌসুম। এ সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা থাকে, তাই আমাদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর স্কুল ও কলেজ ক্যাম্পাসগুলো খুলছে। এসব ক্যাম্পাসে যেন এডিস মশার প্রজনন না ঘটে, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, মশার বিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। আমরা একটি বাসযোগ্য,মশামুক্ত ও দুর্গন্ধমুক্ত শহর গড়ে তুলতে চাই।”

এ সময় ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন,“দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় অনেক স্থানে পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তিন দিনের মধ্যেই ডিএনসিসির আওতাধীন ৫৩৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।”
এই কর্মসূচির আওতায় ডিএনসিসির অন্তর্গত ৫৩৬টি স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসায় ০৩ (তিন) দিনব্যাপী সমন্বিত পদ্ধতিতে এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র অপসারণ ও ধ্বংসসহ মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
উক্ত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এডিস মশা জন্মাতে পারে এমন সকল সম্ভাব্য সোর্স ও প্রজননক্ষেত্র অপসারণ/ধ্বংস করা হবে। পাশাপাশি বন্ধ শ্রেণিকক্ষসহ স্কুল প্রাঙ্গণ ও আশপাশে লার্ভিসাইডিং ও এডালটিসাইডিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের এডিস মশা ও ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ধারণা প্রদান করা হবে।
এই বিশেষ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন,উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ইমদাদুল হক,আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) মোঃ ছাদেকুর রহমান,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এস.এম.শফিকুর রহমান,সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ রকিব হাসান এবং সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এস.এম. ওয়াসিমুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
আ. দৈ./কাশেম




















