রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজনৈতিক চাপে দুদকের ৭ কমিশনের মধ্যে ৫ কমিশনের বিরুদ্ধেই দায়মুক্তির অভিযোগ রয়েছে
এনসিপির সালাহ উদ্দীন ও মোয়াজ্জেমকে দুদকের দায় মুক্তি নিয়ে নানা প্রশ্ন
আবুল কাশেম:
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৩ পিএম  আপডেট: ১০.০৩.২০২৬ ৫:৪০ পিএম  (ভিজিট : ১১১)
X

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ২০০৪ সালে নভেম্বরু থেকে সর্বশেষ ২০২৬ সালে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৭টি কমিশন দায়িত্ব পালন করেছে। ড. গোলাম রহমানের নেতৃত্বে তৃতীয় কমিশন থেকে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দুর্নীতিবাজদের দায়মুক্তি শুরু হয়।

গেলে  বলতে  রাজনৈতিক ও উপর মহলের চাপে দুদকের ৭ কমিশনের মধ্যে ৫ কমিশনের বিরুদ্ধেই  দায়মুক্তির অভিযোগ রয়েছে।
 তারই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ সদ্য পদত্যকারী ও বিদায়ী দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশনও রাজনৈতিক প্রভাবে অনেক দুর্নীতিবাজদের দায়মুক্তি দিয়েছেন বলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দুদকের কর্মকর্তারা জানান, দায়মুক্তির পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনিদিষ্ট নতুন তথ্য উপাত্ত্ব পাওয়া গেলে পুনরায় অনুসন্ধান করে মামলা নিতে পারে।  

এরমধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব এ বি এম গাজী সালাউদ্দিন তানভীর এবং সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব মোয়াজ্জেম হোসেনকে ‘দুর্নীতি ও তদবির-বাণিজ্যের’ মাধ্যমে বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি অর্থাৎ দুদকের পক্ষ থেকে দায় মুক্তির বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এনসিপির প্রভাবশালী সাবেক এই দুই নেতার বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ টানা ১১ মাস অনুসন্ধানকালে কয়েক একাধিকবার নোটিশ পাটিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। 

সদ্য বিদায়ী দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন সালাহ উদ্দীন ও মোয়াজ্জেমকে অভিযোগ থেকে দায় মুক্তি দিয়ে গেছেন। তাদের বিরুদ্ধে নাকি প্রাপ্ত অভিযোগের অনুসন্ধানে কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিদায় কমিশনের অপর দুই সদস্য ছিলেন; কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও কমিশনার (অনুসন্ধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র মতে, এ বি এম গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের বিরুদ্ধে প্রথমে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে নামে-বেনামে শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করে দুদক।তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লকের জন্য দুদক আদালতে আবেদন করে। আদালত আবেদন গ্রহণ করে।এর পর চলতে থাকে অনুসন্ধান ও তদন্তের নামে  পক্ষে বিপক্ষে তদবির। টানা ১১ মাস পর দুদকের পক্ষ আগের জারি করা নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানালে আদালত তা গ্রহণ করেন। গত ১ মার্চ ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে রোববার এ আদেশ দেন। তবে গত ৩ মার্চ বিষয়টি জানা যায়।

দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও এনআইডি আনব্লক চেয়ে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।’ এ আবেদন করার কারণ হিসেবে দুদকের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধান পরিসমাপ্তি হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুদক প্রতিবেদন দিয়ে তা আদালতকে অবহিত করে। এর পর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও এনআইডি ব্লকের আদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করলে তা মঞ্জুর হয়।

অথচ গত বছর ২১ এপ্রিল এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে সুনিদিষ্ট অভিযোগেই দল থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) পাঠ্যবই ছাপানোর কাগজ কেনায় কমিশন বাণিজ্য নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠে।

 এনসিটিবির পাঠ্যবই ছাপানোয় কাগজের বাজারদরের চেয়ে টন প্রতি ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা বেশি দিতে হয়েছে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে। নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে কাগজ না কিনলে বই ছাপার ছাড়পত্র মেলেনি। এভাবে শুধু কাগজ থেকে শত কোটি টাকার বেশি কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে এনসিটিবির কয়েকজন কর্মকর্তাসহ গাজী সালাউদ্দিন আহমেদ তানভীরের বিরুদ্ধে। কিন্তু দুদকের তদন্তে শেষ পর্যন্ত কিছু পায়নি। তার বিরুদ্ধে কেনাকাটা ও বদলি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ ছিল।

সূত্র মতে, নানা দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠার পর গত বছর ২২ এপ্রিল যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেন পদত্যাগ করেন। গত বছর ২৫ এপ্রিল মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগের বিষয়ে দুদককে তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়েছেন তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এরপর গাজী সালাউদ্দিন আহমেদ তানভীরকে ২১ মে এবং মোয়াজ্জেম হোসেনকে ২২ মে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে কেনাকাটা ও বদলি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ ছিল।

আরো অভিযোগ ছিল, উপদেষ্টার এ পিএস’র ক্ষমতার অপব্যবহার করে মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, তদবির বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। অবশেষে টানা ১১ মাস পর মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতি ও তদবির-বাণিজ্য’-সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় দুদক তাকে নিষ্পত্তিপত্র দিয়েছেন।

গত ৬ মার্চ নিজের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান মোয়াজ্জেম হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি পোস্টে উল্লেখ করেছেন, দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

 সূত্র মতে, মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সরকারে দায়িত্ব গ্রহণের পর উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) হিসেবে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রথমে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে এবং পরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

তবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন তদবির ও ব্যক্তিগত সুবিধা দেওয়ার জন্য চাপ তৈরি হয় বলে দাবি করেন তিনি। অনৈতিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি হয় এবং এক পর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ৩১১ কোটি টাকার তদবির-বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে পোস্ট করা হয় বলে উল্লেখ করেন মোয়াজ্জেম। পরবর্তীতে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে একই অভিযোগ প্রকাশিত হয় বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, দুদকের অনুসন্ধান চলাকালে তিনি সংস্থাটিকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন। তবে এ সময় তাকে এবং তার পরিবারকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।।

সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ইস্যু করা এক চিঠিতে (স্মারক নং-০০.০১.০০০০.৫০৫.০৩.০২০.২৫) জানানো হয়েছে যে, মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসন্ধান করা হয়েছে। কিন্তু অনুসন্ধানে অবৈধ সম্পদ অর্জনের কোনো দালিলিক বা বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ না মেলায় দুদক বিধিমালা অনুযায়ী বিষয়টি নথিজাত করে তাঁকে অব্যাহতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার পাশাপাশি মোয়াজ্জেম হোসেনের ওপর থাকা বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা এবং এনআইডি ব্লক করার বিষয়টিও প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর ফলে তাঁর স্বাভাবিক চলাচলে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন দুদকের পরিচালক মো. কামরুজ্জামান।

সূত্র মতে, নানা ব্যর্থতার গ্লানি, বিতর্ক  এবং স্বজন প্রীতির অভিযোগ নিয়ে অনেকটা অপমানজনকভাবে বিদায় নিতে হয়েছে ড. আবদুল মোমেন মোমেন কমিশনকে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ১৪ দিনের মাথায়  এই কমিশনকে বিদায় নিতে হয়েছে। এরফলে নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হাসিনার সরকারের লোকজনের বিরুদ্ধে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ ২৩৪ বিলিয়ন ডলার। টাকার হিসাবে যার পরিমাণ ২৮ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা। আমলা ও হাসিনার ফ্যাসিজমের সহায়ক ব্যবসায়ী এবং মন্ত্রি এমপিরা এ অর্থ পাচার করেন। পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে জয়েন্ট ইনভেস্টিগেশন টিম (জিট) গঠিত হয়। পুলিশ, দুদক ও বিএফআইইউ এই যৌথ টিমের সদস্য। এ লক্ষ্যে যৌথ টিম ১১টি বৃহৎ অর্থ পাচারের ঘটনাকে ‘শীর্ষ অগ্রাধিকার’ হিসেবে চিহ্নিত করে। এর মধ্যে রয়েছে, এস.আলম গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, বেক্সিমকো, সামিট গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ এবং ব্যক্তি পর্যায়ের সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মতো হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিবর্গ। আব্দুল মোমেন নেতৃত্বাধীন কমিশনের বিদায়ের ফলে এ উদ্যোগ এখন থেমে গেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন দুদকের ওই দিনই চেয়ারম্যান হিসেবে  যেগদান করেন। অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী কমিশনার (তদন্ত) ১১ ডিসেম্বর যোগদান করেন এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ কমিশনার (অনুসন্ধান) হিসেবে ১৫ ডিসেম্বর দুদকে যোগদান করেন।

দুদকের আইনে প্রথমে কমিশনের মেয়াদ চার বছর এবং পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়। এপর্যন্ত ৭টি কমিশনের মধ্যে মাত্র তিনটি কমিশন তাদের নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছে। বাকি চারটি কমিশনই মেয়াদ শেষ হওয়ার অনেক আগে হয় পদত্যাগ করেছে।
সফলভাবে মেয়াদ শেষে বিদায় নিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যন , গোলাম রহমান, মো. বদিউজ্জামান ও ইকবাল মাহমুদের নেতৃত্বাধীন কমিশন। আর মেয়াদ শেষ না করেই বিদয়া নিয়েছেন, দুদকের প্রথম চেয়ারম্যান  বিচারপতি সুলতান হোসেন খান, দ্বিতীয় চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হাসান মশহুদ চৌধুরী, ষষ্ঠ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ এবং সপ্তম চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন মেয়াদ পূরণ করার অনেক আগেই আকস্মিকভাবে বিদায় নিয়েছেন।
দুদকের পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের টানা সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে সংস্থাটি ছিল বড় দুর্নীতিবাজদের ‘রক্ষাকবচ’। তখন ‘রাঘববোয়াল’ হিসাবে পরিচিত প্রায় তিন হাজার ব্যক্তিকে দায়মুক্তি বা ‘ক্লিনচিট’ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ কমিশন আমলের শেষ ৫ মাসে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়। বহুল আলোচিত কাস্টমস কমিশনার নূরুল ইসলাম, সিভিল এভিয়েশনের প্রধান প্রকৌশলী শুভেন্দু গোস্বামী, বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নওশাদুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মো. আবুল হাসনাত হুমায়ন কবির, এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী খলিলুর রহমান, জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী নূরুল কবির ভূঁইয়া, সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম আজাদ খান, শাহরিয়ার শরিফ খান, রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান, মো. সিরাজুল ইসলাম, ঢাকা ওয়াসার প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক বেলাল হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারওয়ার, কাস্টমস কমিশনার ড. মো. শহিদুল ইসলাম, উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. শফিউল আলম চৌধুরী, বিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুর আহমেদ, গোয়াইনঘাটের সাব রেজিস্ট্রার স্বপ্না বেগম, স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন, গণপূর্তের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা একেএম মজিবুর রহমান ও সিটি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়াদুদ। অতীতের সব কমিশনের অমলেই সাবেক মন্ত্রী. এমপি রাজনৈতিক, আমলা এবং ব্যবসায়ীদের অবৈধ সম্পদ, অর্থপাচার এবং দুর্নীতির অভিযোগ থেকে দায় মুক্তি দেওয়ার রকের্ড রয়েছে।
তবে যতদিন দুদকের ওপর অযাচিতভাবে সরকার ,আমলা ও রাজনৈতিক নেতাদের প্রচন্ড চাপ এবং প্রভাব মুক্ত না হবে, ততদিন দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী,এমপি আমলা, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তাদেও দায়মুক্তি বন্ধ  হবে না বলে জানান দুদকের একাধিক কর্মকর্তা ।


আ. দৈ./কাশেম












Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
বিশেষ সংবাদ- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : [email protected]

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝