রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেয়াদ উত্তীর্ণ ছাত্রদলের কমিটি
ক্যাম্পাস জুড়ে আধিপত্য বাড়াচ্ছে ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তি
শাহীন রহমান
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৫ এএম  আপডেট: ১০.০৩.২০২৬ ১২:৫৫ পিএম  (ভিজিট : ১১০)
X

সোমবার ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে কয়েক দফায় মেরে পুলিশের হাতে সোর্পদ করার অভিযোগ উঠেছে এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোর রাতে সেহরির সময় পাভেলকে মারধার করা হয়। পাভেলকে যারা মারধর করেছে তারা ক্যাম্পাসে ছাত্রশক্তি নেতাকর্মী।

পাভেল জানিয়েছে বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলে সেহেরি খেতে গিয়েছিল। সেখানে হাসিব, শুভ, সাইফুল্লাহ, মহিউদ্দিন ও আবরারও খাচ্ছিল। তাদের নেতৃত্বে প্রায় ২০-২৫ জন আমাকে কোনো কারণ ছাড়াই দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা মারধর করেছে। আমার দোষ থাকলে আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হোক আমি তাদেরও বলেছি। কিন্তু তারা আমার কোনো কথা শোনেনি। সংশ্লিরা বলছে ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কর্মকান্ড ঝিমিয়ে পড়ার কারণে অপশক্তির তৎপরতা বেড়েছে।

গত ১ মার্চ শেষ হয়েছে ছাত্র দলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ। এক বছর আগে মেয়াদ   শেষ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র দলের কমিটি। নতুন কমিটি গঠন না হওয়ায় পুরাত কমিটি দিয়ে দল পরিচালনা হচ্ছে।  এতে ছাত্র সংগঠনের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ ও হতাশা রয়েছে। তবে জানা গেছে নতুন কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমান ছাত্র দলের কমিটি গঠন নিয়ে উপদেষ্টাদের সাথে আলোচনা করেছেন। ফলে নতুন কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সংগঠনে কারা আসছেন সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে ছাত্র দলের কমিটির মেয়াদ না থাকা এবং নতুন কমিটি গঠন না হওয়ার সুযোগে ক্যাম্পাস জুড়ে  আধিক্য বাড়ছে ছাত্র শিবিরি ও এনসিপির ছাত্রসংগঠন ছাত্র শক্তির। গত বছর  ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর সবগুলো বিশ্বািবদ্যালয়ে তাদের আধিক্য অনেকে বেড়ে গেছে।  সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের  শিবিরি সমর্থিত প্যালেনের বিজয়লাভ করেছে। এতেদ আরও চাপের মুখে পড়েছে ছাত্রদলের কার্যক্রম। এরপর দলের নিয়মিত কমিচি না থাকায় সংগঠনের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও কহল বাড়ছে। 

বর্তমানে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির নেতৃত্বাধীন কমিটির দুই বছরের মেয়াদ গত ১ মার্চ শেষ হয়েছে। একইভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাত সদস্যের কমিটিও মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। ২০২৪ সালের ১ মার্চ গণেশ চন্দ্র রায় সাহসকে সভাপতি এবং নাহিদুজ্জামান শিপনকে সাধারণ সম্পাদক করে যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তার মেয়াদও এক বছর অতিক্রম করেছে। ফলে কেন্দ্র থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গাতেই নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার রাজনৈতিক উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।  বৈঠকে দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো দ্রুত পুনর্গঠনের পরামর্শ দেয়া হয়। এরপর থেকেই ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় নতুন নেতৃত্ব নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা জোরদার হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে কমিটি ভেঙে দেয়ার গুঞ্জন থাকলেও বিএনপির নির্বাচনী বিজয়ের পর পদপ্রত্যাশী নেতাদের তৎপরতা আরও বেড়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোডাউন, শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল এবং দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের সাংগঠনিক অবস্থান জানান দিচ্ছেন।

ছাত্রদলের শীর্ষ পদপ্রত্যাশী কয়েকজন নেতা জানান, কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। এখন মেয়াদ শেষ হওয়ায় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, ১ মার্চ তাদের দুই বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে নতুন কমিটি কবে হবে সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি বলেন, সংগঠনের সাংগঠনিক অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন প্রয়োজন মনে করবেন তখনই নতুন কমিটি গঠন করা হবে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান বলেন, মেয়াদ শেষ হওয়ায় দ্রুত নতুন কমিটি ঘোষণার দাবি রয়েছে। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম ও নির্যাতনের মুখোমুখি হওয়া নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব গঠন করা প্রয়োজন।

গত বছর ৫ আগস্টেও পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ সময় পর প্রকাশ্যে আসে জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির’। ওই সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন নেতা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করায় এনিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হয়। আবু সাদিক কায়েম  নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন। । এমন একটি সময়ে সাদিক কায়েম নিজের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করলেন যখন বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ করার আলোচনা চলছে। এমনকী স্থায়ীভাবে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ব্যাপারেও প্রস্তাব করা হলে তা বাস্তবায়িত হয়নি । উল্টো ক্যাম্পাসে প্রতিক্রিয়াশীল এসব সংহগঠনের তৎপরতা বেড়েছে অনেক বেশি। 

এনসিপি সরকার গঠন করলে এর ছাত্র শাখা হিসেবে আত্মপ্রকাশ কওে ছাত্র শক্তি। প্রথম থেে কই ছাত্রশিবিরের প্রকাশ্যে আসা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয়ার ঘটনায় বিএনপি’র ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় অন্য রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনগুলো নিন্দা ও প্রতিবাদ জানালেও এর বাইওে কোন কর্মসুচি ছিল না। ফলে পরবর্তীতে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ভরাডুবি ঘটে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের প্রকাশ্যে রাজনীতি বন্ধ করা হয়েছিল এখন থেকে তিন দশক আগে। নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সব সংগঠন একাট্টা হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির রাজনীতি বন্ধ করেছিল বলে জানিয়েছেন লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ। ওই সময় ছাত্রশিবিরের সাথে জাতীয় পার্টির ছাত্রসংগঠন ‘ছাত্র সমাজে’র রাজনীতিও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। আশির দশকে স্বৈরাচার এরশাদের সহযোগী জাতীয় ছাত্রসমাজ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্র-শিক্ষক সবাই ঐক্যমতের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বলে এর রআগে জানান ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ১৯৭১ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠনের নাম ছিল ‘ইসলামী ছাত্রসংঘ’। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিতর্কিত ভূামিকার কারণে জামায়াতের সঙ্গে ছাত্রসংঘেরও রাজনীতি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ১৯৭৭ সালে পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ছাত্রসংগঠনটি ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির’ নামধারণ করে পুনরায় আত্মপ্রকাশ করে।

 এরপর আশির দশকে তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এমনভাবে সক্রিয় হতে থাকে যে, বাকি ছাত্রসংগঠনগুলো তাদেরকে হুমকি হিসেবে দেখা শুরু করে। ওই সময়ে বেশকিছু সহিংসতা ও হত্যার ঘটনাও ঘটে। এর মধ্যে ১৯৮৯ সালে হামলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্রদল নেতা নিহত হন, যেটার জন্য ছাত্রশিবিরকে দায়ী করা হয়। ওই ঘটনার জেরে পরবর্তীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও একইপথে হাঁটে। যদিও জাহাঙ্গীরনগরের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রশিবিরের কার্যক্রম নিষিদ্ধের ঘোষণা তখন দেয়নি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শুধু ছাত্র শিবির নয়। ক্যাম্পসগুলোতে এখন ছাত্র শক্তির আধিপত্য রয়েছে। তাদেও সকর্মকান্ডে অতিষ্ঠ সাধারণ ছাত্র।  সোমবার ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে কয়েক দফায় মেরে পুলিশের হাতে সোর্পদ করার অভিযোগ উঠেছে এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোর রাতে সেহরির সময় পাভেলকে মারধার করা হয়। 

পাভেল বলেন, “তিনি বলেন, “আমি বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলে সেহেরি খেতে গিয়েছিলাম। সেখানে হাসিব, শুভ, সাইফুল্লাহ, মহিউদ্দিন ও আবরারও খাচ্ছিল। তাদের নেতৃত্বে প্রায় ২০-২৫ জন আমাকে কোনো কারণ ছাড়াই দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা মারধর করেছে। আমার দোষ থাকলে আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হোক আমি তাদেরও বলেছি। কিন্তু তারা আমার কোনো কথা শোনেনি।

পাভেল বলেন, তারা সেখান থেকে মেরে পরে পলাশীতে এনে আবার মারে। আবার সেখান থেকে আমাকে বাইকে করে ভিসি চত্বরে নিয়ে এসে কয়েকজন মিলে কিল-ঘুষি মারে। পরে আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেলে শাহবাগ থানায় ফেলে দিয়ে যায়। সেখান থেকে পুলিশ আটক করে। তারা আমাকে ছাত্রলীগ বলে পেটায়। আমি কখনো কোন সংগঠনে ছিলাম না। আমার কোনো পদ নেই। পাভেল যাদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ এনেছেন, তাদের মধ্যে আছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা সাইফুল্লাহ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হাসিব আল ইসলাম, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও আবরার।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থীকে ‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে মারধরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ‘সন্ত্রাসবিরোধী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী। বিক্ষোভে দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলের উপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারসহ তিনটি দাবি তুলে ধরেছেন বিক্ষুব্ধরা। সেগুলো হল-ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যায় জড়িতদের দ্রুত আটক, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা।

সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (একাংশ) ঢাবি শাখার সদস্য সচিব অদিতি ইসলাম বলেন, ও কোনো মানুষের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেই তার ওপর প্রমাণ ছাড়াই হাত তোলা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ছাত্রশক্তি’ নামক সংগঠনের কর্মীরা একজনকে পাঁচ দফায় পিটিয়েছে, শিকল দিয়ে মেরেছে এবং তার আঙুল থেঁতলে দিয়েছে। এই ধরনের অমানবিক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থী রাফিউর জামান জুয়েল বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য। কিন্তু বর্তমানে জুলাইয়ের দোহাই দিয়ে যে ‘মব কালচার’ তৈরি করা হচ্ছে, তা ওই আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থি। এরা জুলাইয়ে সামাজিক চুক্তিকে ভঙ্গ করে ছাত্র রাজনীতিকে ভঙ্গুর করছে। যাকে ‘জুলাইয়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা’ বলা হয়। 

 অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী আবু মুজাহিদ আকাশ বলেন, যদি কেউ পূর্ববর্তী সময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকে কিংবা কোনো অপরাধ করে থাকে, তবে তাকে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। কিন্তু তাকে মব করে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা বা মেরে ফেলা কোনো সমাধান নয়। সংশ্লিষ্টরা বলছে ক্যাম্পাসে ছাত্র শিবির এবং ছাত্রশক্তির তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় ক্যাম্পাস জুগে মব সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়ছে। এটা পরিরোধে ছাত্রদলের কর্মকান্ড আরও গতিশীল হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি পুরাতন কমিটি কিলুপ্ত কওে নতুন কমিটির নেতুতে¦ ছাত্রদল পরিচালিত হওয়া উচিত।

 আ.দৈ/আরএস



Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
রাজনীতি- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : [email protected]

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝