রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকায় ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নিতে যানবাহনের লাইন বাড়ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ২:৪১ পিএম   (ভিজিট : ১১২)
X

রাজধানী ঢাকায় জ্বালানি সংকটে পড়ছে পাম্পগুলো। আসন্ন দিনগুলোতে তেল সংকট প্রকট হতে পারে আশঙ্কায় রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন যানবাহন চালকেরা। এতে আজও রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে (ফিলিং স্টেশনে) দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি।

তবে দেশের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছে বিপিসি।

আজ শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে এমন চিত্র দেখা যায়। রাজধানীর অন্য এলাকায়ও প্রায় একই চিত্র।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর মহাখালী থেকে আসতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে থেকে বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত কয়েক লাইনে মোটরসাইকেল অপেক্ষায় আছে। পাশাপাশি রয়েছে প্রাইভেট কারের সারি, এর সারি আরও দীর্ঘ। সবাই সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে সারিবদ্ধভাবে এগিয়ে পাম্প থেকে সংগ্রহ করছেন জ্বালানি তেল। পরিস্থিতি সামলাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিও দেখা গেছে।

কথা হয় আশিকুজ্জামান চয়ন নামের এক মোটরসাইকেল চালকের সঙ্গে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, দুই ঘণ্টার উপরে দাঁড়িয়ে থেকে তেল নিতে পেরেছি। মাত্র ৩০০ টাকার তেল দিচ্ছে।

পাম্পে তেলের সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকা রাব্বি নামের আরেক মোটরসাইকেল চালক বলেন, গাড়িতে তেল নেই। গত দুইদিন পাম্পে ভয়াবহ অবস্থা দেখে তেল নেইনি। ভেবেছিলাম দু-একদিন পর চাপ কমবে তখন নেবো। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে বিভিন্ন পাম্পে তেল নেই বলে বন্ধ করে দেওয়ার কথা শুনছি। আজ গাড়িতে তেল না নিলে গাড়ি ঠেলে নিয়ে যেতে হবে। বাধ্য হয়ে এতবড় সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে তেল নিচ্ছি।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এক বার্তায় যানবাহনে তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম বেঁধে দিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রতি ট্রিপে (একবার) মোটরসাইকেল ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার, এসইউভি/জিপ/মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার, দূরপাল্লার বাস/ট্রাক/কার্ভাডভ্যান/ কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি তেল নিতে পারবে।  

এর আগে ওইদিন বিকেলে পরীবাগে পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, যে সংশয়টি জনগণের তৈরি হয়েছে, আমরা সেটাকে অস্বাভাবিকভাবে দেখছি না, কারণ একটি যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। ফলে একটা দুশ্চিন্তা বিরাজ করছে। কিন্তু আমি আশ্বস্ত করতে চাই, জ্বালানি তেল নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমাদের কাছে যথেষ্ট মজুত আছে।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে আমরা কয়েকগুণ বেশি তেল সাপ্লাই দিয়েছি। ক্রেতারা স্বীকার করেছেন, তারা বেশি করে তেল নিচ্ছেন। এই আতঙ্ক দূর করতে হবে। সবাইকে বলতে চাই, জনগণের দুর্ভোগ কমানোর জন্য সরকার যথেষ্ট সচেষ্ট।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিকভাবে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। ফলে এটি একটা চাপ তৈরি করছে। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের সমন্বয়ে যেতে হবে। আমরা চেষ্টা করবো দাম না বাড়াতে। তবে একান্তই না পারলে তখন জনগণের সঙ্গে আমরা তা শেয়ার করবো। পাশাপাশি আমরা দেশবাসীর সমর্থন কামনা করছি।

এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ তেলের পাম্প পরিদর্শন করেছেন। প্রয়োজনের বেশি তেল না কিনতে জনগণকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আ. দৈ./কাশেম



Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : [email protected]

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝