ইরানের নতুন নেতাকে হত্যার হুমকি দিল ইসরায়েলে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, যাকেই ইরানের নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্থলাভিষিক্ত করা হবে তাকেই লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, ইরানের এই সন্ত্রাসী সরকার যাকেই তাদের পরবর্তী নেতা হিসেবে নির্বাচিত করুক না কেন, যদি তাদের পরিকল্পনা হয় ইসরায়েলকে ধ্বংস করা, যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দেওয়া, মুক্ত বিশ্বকে হুমকি দেওয়া কিংবা ইরানের জনগণকে দমন করে; তবে সেই নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে, নির্মূল করা হবে। এটা কোনো বিষয় নয় তার কি নাম বা কোথায় সে লুকিয়ে আছে।
ইসরায়েলের মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা আমাদের আমেরিকান পার্টনারদের নিয়ে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করে কাজ চালিয়ে যাব, যাতে ইরানের এই শাসকগোষ্ঠীর সক্ষমতা ভেঙে যায় এবং ইরানের জনগণ যেন সেটিকে উৎখাত করে নতুন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
ইরানে ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে বিশেষজ্ঞ পর্ষদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল শনিবার হামলা শুরুর প্রথম দিনেই নিজের বাসভবনে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটের খবর শোনা গেলেও ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির উত্তরসূরীর নাম ঘোষণা করেনি। তবে তাঁর উত্তরসূরি নির্বাচনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
খামেনির উত্তরসূরি নির্বাচন করবে ইরানের ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ বা বিশেষজ্ঞ পর্ষদ। এই পর্ষদে ৮৮ জন জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় নেতা আছেন, যারা জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন।
সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার দৌড়ে নিহত আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি অনেকটা এগিয়ে আছেন। ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি তাঁর বাবার শাসনকালে ছায়ায় কাজ করেছেন।
তিনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখার জন্য পরিচিত। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে আলেম ও আইনজ্ঞ আলিরেজা আরাফি, ইরানে ইসলামি বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি সৈয়দ হাসান খোমেনির নামও আলোচনায় আছে।
আ.দৈ/আরএস





















