খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানে মার্কিন কনস্যুলেটে হামলা নিহত ৮
ডেস্ক রিপোর্ট:

সন্ত্রাসী রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অতর্কিত হামলায় ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শহীদ হয়েছেন। এই তথ্য ইরানের রাষ্ট্রীয় মিডিয়া নিশ্চিত করেছে।
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর প্রতিবাদে পাকিস্তানের বন্দর নগরী করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে তাণ্ডব চালিয়েছে শত শত পাকিস্তানি। দেশটির পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইদি ফাউন্ডেশন রেসকিউ সার্ভিসের একজন মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন বলেন, করাচির হাসপাতালে আমরা ৮জনের মৃতদেহ স্থানান্তর করেছি। এ ছাড়া কনস্যুলেটের ঘটনায় ২০ জন আহত হয়েছে। খবর এপি'র।
পাকিস্তানের কর্মকর্তারা বলেছেন, খামেনিকে হত্যার ঘটনায় রোববার শত শত পাকিস্তানি মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরে বিক্ষোভ চালায়। সেই সময় অনেকে মার্কিন কনস্যুলেটে জোর করে প্রবেশের চেষ্টা চালায়।
বার্তাসংস্থা এএফপি'কে পাকিস্তানের রেসকিউ এক কর্মকর্তা বলেছেন, করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে ইরানপন্থীদের বিক্ষোভের সময় অন্তত আটজন নিহত হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কনস্যুলেটের বাইরে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ। বিক্ষোভকারীরা পাথর নিক্ষেপ করলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছুড়ে। আরেক ভিডিওতে দেখা যায়, কনস্যুলেটের গেট কম্পাউন্ডের ভেতরে বেশ কয়েকজন পুরুষ জানালা ও দরজার কাচ ভেঙে মূল ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করছে।
অভিযোগ, ভবনের কিছু অংশে আগুন লাগানো হয়েছে। সর্বশেষ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা না চালাতে ইরানকে সতর্ক করেছেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরান মাত্রই জানিয়েছে যে তারা আজ প্রচণ্ড আঘাত হানবে, যা তারা আগে কখনো করেনি। তাদের সেটা না করাই ভালো। তারপরেও তারা যদি সেটা করে তাহলে আমরা তাদের এমন এক শক্তি দিয়ে আঘাত করবো যা আগে কখনো দেখা যায়নি!
আ. দৈ./কাশেম




















